জরুরি সংকেত চেনা ও দ্রুত পদক্ষেপ।
জরুরি সচেতনতা বিভাগে এমন লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে যেগুলো দেখা দিলে অপেক্ষা করা বিপজ্জনক হতে পারে। স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, তীব্র অ্যাজমা, পানিশূন্যতা, অ্যালার্জি বা রক্তক্ষরণের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত জীবনরক্ষাকারী হতে পারে।
এই গাইডগুলো আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য নয়; বরং কোন লক্ষণকে জরুরি হিসেবে ধরবেন, কী করবেন এবং কী করবেন না তা সহজভাবে জানাতে তৈরি। জরুরি অবস্থায় অনলাইন পড়ে সময় নষ্ট না করে স্থানীয় জরুরি সেবা বা নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়াই নিরাপদ।

স্ট্রোকের FAST লক্ষণ, অন্য সতর্কতা, কেন সময় গুরুত্বপূর্ণ, কী করবেন এবং কী করবেন না — জরুরি বাংলা গাইড।

হার্ট অ্যাটাকের সাধারণ ও অস্বাভাবিক লক্ষণ, ঝুঁকির কারণ, কী করবেন, কী করবেন না এবং কখন জরুরি সেবা দরকার — বাংলা গাইড।

তীব্র অ্যাজমা অ্যাটাকের সতর্কতা, রিলিভার ইনহেলারেও আরাম না হলে কী করবেন, শিশু-বয়স্কদের ঝুঁকি এবং জরুরি লক্ষণ।

গুরুতর পানিশূন্যতার লক্ষণ, শিশু-বয়স্কদের ঝুঁকি, বমি-ডায়রিয়ায় নিরাপদ পদক্ষেপ, ORS ব্যবহার এবং জরুরি সংকেত।

তীব্র অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ, শ্বাসকষ্ট বা ফোলা হলে কী করবেন, এপিনেফ্রিন পরিকল্পনা এবং জরুরি সংকেত।

গুরুতর রক্তক্ষরণে সরাসরি চাপ দেওয়া, কী করা যাবে না, শক-এর লক্ষণ, রক্ত পাতলা ওষুধের সতর্কতা এবং জরুরি পদক্ষেপ।
বুক ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, খিঁচুনি, তীব্র রক্তপাত বা অ্যালার্জিতে শ্বাস আটকে গেলে জরুরি সেবা নিন।
ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, জ্বর, অ্যাজমা, ওষুধের নিরাপত্তা এবং জরুরি লক্ষণ সম্পর্কে সহজ ভাষায় source-based স্বাস্থ্য গাইড। কখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে তা পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।